print this page
Showing posts with label রুট. Show all posts
Showing posts with label রুট. Show all posts

IMEI corruption and fixing

♦IMEI কী? - IMEI Corruption কি এইটা জানার আগে আমাদের আগে জানতে হবে IMEI কী?
IMEI - International Mobile Equipment Identity যাকে আমরা অনেকে মোবাইলের গোপন নাম্বার ও বলে থাকি...... এটি মুলত কোন মোবাইলের আইডেন্টিটি জানার জন্য সাংকেতিক কোড। এটি মোবাইলের ব্যাটারি এর পেছনের স্টিকার এ লেখা থাকে।

♦IMEI Corruption কী? - IMEI Corrupt হলে মোবাইল থেকে RADIO signal বাদে অন্য সকল সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। একথায় মোবাইল তার আইডেন্টিটি হারিয়ে ফেলে। এক্ষেত্রে মোবাইলে সিম নেটওয়ার্ক পায় না,GPS কাজ করে না। Sim Network সিগনাল এর জায়গায় Invalid IMEI দেখায়। অথবা *#06# দিলে Invalid IMEI অথবা IMEI Corrupted দেখায়। এটি একটি মারাত্মক সমস্যা।

♦IMEI Corrupt হওয়ার কারণ - IMEI Corrupt হওয়ার প্রধান কারণ হল Advanced Androiding....... এটা মুলত advanced Android user দের সাথে হয়। অনেকে আবার ভুল বসত করে ফেলেন। নিজ পোর্ট করা / আনকমফোর্ট্যাবল Custom ROM + Recovery ফ্লাশ দিলে / দেয়ার চেষ্টা করা মুলত এই সমস্যা বেশি। অনেকে ক্ষেত্রে ফোন ব্রিক হওয়ার সম্ভাবনা ও থাকে। Advanced ROOT এর কাজ করার ক্ষেত্রে এই সমস্যা হতে। অর্থাৎ নিজে কোন বিষয়ের উপর Development করা। এই সমস্যা আবার নতুন ডেভেলপার দের ক্ষেত্রে হয়।

♦IMEI Corruption থেকে বাঁচার উপায় - যথা সম্ভব advanced Androiding থেকে দুরে থাকতে হবে। ভাল কোন ডেভেলপার এর কাস্টম রম বা রিকভারি ইউজ করতে হবে। এক্ষেত্রে XDA Recognized Developer হলে ভাল হয়। নিজে নতুন ডেভেলপার হলে MobileUnlce Tools দিয়ে MTK IMEI backup করে রাখতে হবে। Corrupt হলেও পরে সেটা রিকভার করা যাবে।

♦IMEI Corrupt হয়ে গেলে করণীয় - সতর্কতা থাকা সত্ত্বেও যদি IMEI Corrupt হয়ে যায় তখন সেটা ঠিক করার অনেক Way আছে যেগুলো খুবই জোটিল। এক্ষেত্রে PC এর প্রয়োজন আছে। এই IMEI write প্রসেস অনেক বড় হওয়ার কারণে PC এর IMEI write প্রসেস আজ লিখতে পারলাম না। তবে WRONG RECOVERY ইন্সটল করার সময় যদি IMEI Corrupt হয় তাহলে সেটা ঠিক করার প্রসেস আজ বলবো। এক্ষেত্রে যদি কোন WRONG Recovery অর্থাৎ অন্য ডিভাইস এর রিকভারি অথবা BAD Formatted রিকভারি ইন্সটল করলে যে সমস্যা হয়। তাহলে সেই সমস্যা RECOVERY Flash মেথড এ করা যাবে। যে FLASH ফাইলটা সম্পুর্ণ আমার তৈরি।

DOWNLOAD LINK -http://goo.gl/4E9Dll

♪ফাইলটা ডাউনলোড করে রিকভারি মুডে গিয়ে ফ্লাশ দিলে IMEI FIX হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।-by-Arnav

এবার কোনো রকম Warranty হারানোর ভয় ছাড়াই আপনার এন্ড্রয়েড ফোন ROOT করুন ।

আজ আপনাদের দেখাবো কিভাবে আপনার এন্ড্রয়েড ফোন root করবেন তাও আবার কোনো রকম warranty হারানোর ভয় ছাড়াই। আগেই বলে নিচ্ছি এ বিষয়ে আগে যদি কেউ কোনো টিউন করে থেকে তাহলে নীজ গুনে ক্ষমা করবেন। আর হ্যা যা যা করবেন সব নীজ দায়ীত্বে করবেন। প্রয়োজনে অভিজ্ঞ্যদের সাহায্য নিবেন। অবশ্য এই পদ্ধতির rooting এর ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।তো চলুন কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক ।।
*আপনার এন্ড্রয়েড ভার্সন ৪.০ এর নীচে হলে ট্রাই করবেন না।

যা যা লাগবেঃ

  • একটি পিসি অথবা ল্যাপটপ।
  • VRoot: পিসি সফটওয়্যার(এটি দিয়ে মুল কাজটি করতে হবে।
  • আপনার ফোনের device driver সফটওয়্যার। যেমনঃ samsung হলে Kies , অথবা htc হলে Sync ইত্যাদি আর যদি অন্য কোন মডেল হয় তাহলে গুগলে সার্চ করে নামিয়ে নিন। সবচেয়ে ভালো হয়ে আপনার ফোনের সাথে যেই ডিস্কটা দেয়া থাকে। গুগল সার্চ করে নামিয়ে নিলেও সমস্যা হবেনা।

এবার মূল কাজঃ

১.আপনার ফোনটি যদি samsung হয় আর সেটাতে অদি knox enable করা থাকে তাহলে Settings > Security desable lock reactivation করে দিন। অন্য কোনো ফোন হলে শুধু লক টা deactive করে দিন।
২.এবার আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপে Vroot সফটয়্যারটি ইন্সটল করে ওপেন করুন।(chines লেখা দেখে ভয় পাওয়ার কিছু নেই, আপনার যে কাজ গুলো করতে হবে তা ইংরেজিতেই দেয়া আছে)
৩.এবার আপনার ফোনের Developer Options থকে USB Debugging মোড টা অন করুন। যদি আপনার Developer Option এক্টিভ না থাকে তাহলে Settings>About Phone>Build Number এর উপর ৭বার ক্লিক করুন, তাহলে আপনার Developer Option অন হয়ে যাবে।
৪.এবার USB দ্বারা আপনার ফোনটি পিসি বা ল্যাপটপের সাথে কানেক্ট করুন।
৫.এবার দেখুন Vroot সফটয়্যারটি আপনার ফোনকে খুজছে। অপেক্ষা করুন যতক্ষন না পর্যন্ত আপনার ফোনটি connected হচ্ছে।
৬.এখন নিচের চিত্র অনুযায়ী ROOT লেখা বাটনে ক্লিক করুন এবং ৪-৫ সেকেন্ড অপেক্ষা করুন। এখন আপনার ফোনটি Restart নিবে(নাও নিতে পারে)।

Congratulation! আপনার ফোনটি রুটেড হয়ে গেছে।
চেক করার জন্য Root Checker  নামিয়ে নিন।
দাড়ান! আরো একটু কাজ আছে।
যেহেতু আমরা vroot দ্বারা রুট করেছি সেহেতু vroot আমাদের ফোনে ডিফল্ট ভাবে superuser সফটওয়্যারটি ইন্সটল করে দিয়েছে যা কিনা অতি পুরনো এবং ভালোভাবে কাজও করেনা। আপনি যদি সেই superuser পরিবর্তন করে নতুন superuser ইন্সটল করতে চান তাহলে নিচের স্টেপ গুলো অনুসরণ করুনঃ
১.প্রথমে SuperSu নামিয়ে আপনার ফোনে ইন্সটল করুন।
২.এবার superuser ওপেন করে যা যা লেখা আসে শুধু ok/''允许'' করুন।
৩.এখন দেখুন superuser Binary প্রমোট চাইছে। শুধু ওকে করুন।
৪.এবার Titanium Backup টা নামিয়ে ইন্সটল দিন।
৫.এখন Titanium backup টা ওপেন করে vroot এর ডিফল্ট হিসেবে থাকা superuser টি ফ্রিজ করে দিন।
৬.এখন আবার আপনার নিজের ইন্সটল করা superuser টি ওপেন করুন এবং আবার SU binary ফাইলটা ইন্সটল দিন।
৭.ব্যাস আর কিছু করতে হবেনা।
এখন আপনার ফোন চেক করে দেখুন কোনোরকম কারনেল ভার্সন পরিবর্তন ছাড়াই আপনার ফোনটি Root হয়ে গেছে। কি! মজা না?
**কোথাও আটকে গেলে কমেন্ট করুন।
NOTE: অতিরিক্ত সতর্কতার জন্য আপনার ইম্পর্ট্যান্ট ডাটা গুলোর ব্যাকাপ নিয়ে নিন। যেমনঃ কন্ট্যাক্ট,মেসেজ ইত্যাদি।
আজ এ পর্যন্তই আবার দেখা হবে অন্য কোনো টিউন নিয়ে, সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন। খোদা হাফেজ।

আপনার এন্ড্রোইড ফোনকে সহজে রুট করে নিন !!!

 প্রথমে FrameRoot  নামক apk স্ফটয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন এখান থেকে

* এখন Settings > Security তে যান এবং Install Unknown Source এ টিক চিহ্ন দিন ।।



















* এখন ডাউনলোড ক্রিত FrameRoot টি ইন্সটল করে নিন ।



















* এখন বক্সে থেকে Install SuperSu সিলেক্ট করে , নিচের তিনটি অপশন (Frodo, Sam or Aragorn) থেকে যেখন একটা সিলেক্ট করুন । যদি তিনটি অপশন থেকে Frodo তে pop up message ইরর দেখায় , তাহলে sam অথবা aragorn ট্রাই করুন ।



















* যদি ঐ তিনটি অপশন থেকে আপনার ফোনে সাপোট করে তাহলে নিচের ছবির মত sucess !! লেখা আসবে ।




















* এখন আপনার ফোন রিস্টার্ট মারুন । দেখবেন আপনার ফোন রুট হয়ে গিয়েছে ।

স্টক রম ফ্ল্যাশ করার পদ্ধতি

নানা কারনে আপনার স্মার্ট ফোনটি ব্রিক করতে পারে ।। তখন স্টক রম ফ্ল্যাশ করতে হয় ।। আজকে এই পোস্টে দেখানো
হবে কিভাবে সহজেই রম ফ্ল্যাশ দেয়া যায় ।।
যা যা লাগবেঃ
২. আপনার মোবাইলের ড্রাইভার
যেভাবে স্টক রম ফ্ল্যাশ করবেনঃ
১. প্রথমে USB Driver ইন্সটল করে নিন ।।
২. স্টক রমটি এক্সট্রাক করে নিন ।।
৩. SP Flash Tool ডাউনলোড করুন
৪. SP Flash Tool ফোল্ডারের থেকে sp tool.exe ওপেন করুন ।।
Open-Flash-Tool
৫. Scatter-loading এ ক্লিক করে scatter_emmc.text ফাইলটি সিলেক্ট করুন ।।
Smart-Phone-Flash-Tool
৬. এবার দেখুন sp tool এর নিচে সব গুলো option টিক দেওয়া আছে কি না । না থাকলে সব গুলো option টিক দিয়ে দিন
৭. Firmware->Upgrade এ ক্লিক করুন ।
SP-Flash-Tool00000
৮. মোবাইল বন্ধ করে ব্যাটারি খুলে ফেলুন আর USB cable দিয়ে পিসির সাথে কানেক্ট করুন ।।
৯. সবকিছু ঠিক মত করলে অটো ফ্ল্যাশ শুরু হবে ।।
১০. ঠিক মত ফ্ল্যাশ হয়ে গেলে সবুজ গোল সিগন্যাল দেখাবে ।।
sp5
১১. এবার sp tool ভাল ভাবে close করে usb ডিসকানেক্ট করুন ।
১২. ফোন on করুন । প্রথম অবস্থায় মোবাইল চালু হতে ৫/৬ মিনিটের মত সময় নিবে ।
 

রুট করুন যেকোন অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল এক ক্লিকে !!

রুট ছাড়া অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল চালানোর মজাই নাই, রুট  ছাড়া আপনি অ্যাডমিনিস্ট্রেটর আথবা সুপারইউজার পার্মিশন পাওয়া যায় না, আর সুপারইউজার পার্মিশন না পেলে আপনি আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসকে (মোবাইল/ট্যাব) আপনার ইচ্ছা মত কাস্টমাইজ করতে পারবেন না।

     মোটকথা আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসকে (মোবাইল/ট্যাব) আপনার মত করে ইউজ করতে হলে অবশ্যই রুট করতে হবে।
এবার আসি মূল কথায়,
       আপনারা অনেকেই শুনে থাকবেন রুট করতে গেলে আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসটি (মোবাইল/ট্যাব) ব্রিক হয়ে যেতে পারে এবং রুট করলে অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসটির (মোবাইল/ট্যাব) ওয়্যারেন্টি থাকে না, কিন্তু না আমি যে প্রোসেসের কথা বলব তাতে অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসটি (মোবাইল/ট্যাব) ব্রিক হবে না এবং আনরুট করার সুবিধা তো থাকছেই অতএব অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসটির (মোবাইল/ট্যাব) ওয়্যারেন্টি হারাবে না।
    
       তো শুরু করা যাক,

  1.  প্রথমে এখান থেকে Vroot সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন।
  2.  আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসটির  (মোবাইল/ট্যাব) ইউসবি ডিবাগ অপশন চালু করুন।





3.    এবার Vroot চালু করুন এবং 
আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসটিতে (মোবাইল/ট্যাব) ইউএসবি (USB) ক্যাবল সংযোগ দিন।
    নিচে স্ক্রীনশট দেখুন.........


                                                               চিত্র - ১


                                                                    
                                                                  চিত্র - ২

  স্বাগতম আপনি এখন একজন রুট ইউজার............
  উপভোগ করুন সুপারইউজার পার্মিশনের মজা.........

এসডিকার্ড পার্টিশন + Link2SD দিয়ে ইন্টারনাল মেমোরি কিভাবে বাড়াবেন?

বাইলের ইন্টারনাল মেমোরি বাড়ানো ইদানিং তেমন লাগেনা, কারণ প্রায় মোবাইলেই ১-২ জিবি এখন দেয়া থাকে। আগে যখন ইন্টারনাল ৫১২ এমবি ছিল তখন এটা খুব কাজে দিত। অবশ্য এখনো কাজে দিবে, যারা অনেক এপ ইউজ করেন ও গেইম খেলেন কিন্তু ইন্টারনালের জন্য আনইন্সটল করে দিতে হয় তাদের জন্য আজকের পোস্ট কিভাবে ইন্টারনাল মেমোরি বাড়াবেন।

আমরা আজকে যা করবো তা হল প্রথমে এসডি কার্ডে একটা পার্টিশন করবো যেটাতে এপ ড্যাটাগুলা জমা থাকবে এবং অযথা ইন্টারনাল খাবে না। তারপর Link2SD দিয়ে ওই পার্টিশনটার সাথে কানেক্ট করে দিব যাতে ঠিকমত কাজ করে।
অনেক সোজা, চলেন ট্রাই মারি।

যা লাগবেঃ
  1. রুটেড এন্ড্রয়েড ফোন
  2. পিসি
  3. পার্টিশন করার সফটওয়ার (এখান থেকে নামিয়ে নিন > Minitool Partition Home Edition )
  4. Link2SD এপ (Play Store থেকে নামান)


ধাপ ১ - কানেক্টিংঃ

MiniTool Partition Wizard ডাউনলোড করে পিসিতে ইন্সটল করে নিন। তারপর মোবাইল থেকে মেমোরি কার্ড খুলে কার্ড রিডার দিয়ে পিসির সাথে কানেক্ট করুন.

আমি আমার ৮জিবি মেমোরি কার্ড কানেক্ট করলাম। এর ফরম্যাট হচ্ছে FAT32, যা সব পেনড্রাইভের স্ট্যান্ডার্ড ফরম্যাট। নিচের ছবিতে দেখুন। (figure 1)Partitioning_1st_Step@IFLandroid

ধাপ ২- রিসাইজিংঃ

  1. ডিস্ক ২ এ আপনার মেমোরি কার্ড সিলেক্ট করে রাখুন।
  2. Move/Resize Partition এ ক্লিক করুন।
  3. 3 নাম্বার চিহ্নিত বারটা ডানে বামে সরিয়ে পারটিশনের জায়গা কতটুকু রাখবেন সেটা ঠিক করুন।
  4. কতটুকু জায়গা পারটিশনের জন্য ব্যবহ্রত হবে সেটা এখানে দেখতে পাবেন।
  5. Ok চাপুন।
[বিঃ দ্রঃ Unallocated Space before: এটা সবসময় শূন্য(০) রাখবেন।]

সিরিয়াল নাম্বার অনুযায়ী ধাপগুলো ছবির সাথে মিলিয়ে নিন
Partitioning_2nd_Step@IFLandroid

ধাপ ৩-পারটিশনিংঃ

  1. ১ নাম্বারে দেখা যাচ্ছে আমাদের মেমোরিকার্ড এখন দুইভাগ হয়ে গেছে যেমনি আমরা চেয়েছিলাম।কিন্তু ভাগ করা জায়গাটার কোন ফরম্যাট নাই, তাহলে মোবাইল বুঝতে পারবেনা। তাই এটাকে একটা ফরম্যাট দিতে হবে।
    ভাগ করা জায়গাটা সিলেক্ট করুন।
  2. Create Partition এ ক্লিক করুন।
  3. Partition Label এ আপনার মনের মত নাম দিন, এটা ব্যাপার না। আমি দিলাম 2ndPart.
  4. Create As এ Logical এর পরিবর্তে Primary দিন।
  5. File System এ EXT4 দিন। কারণ লিনাক্স এটা খুব সহজে ডিটেক্ট করতে পারে, যদিও উইন্ডোজ পারেনা।
  6. আর কিছু নিয়ে গুতাগুতি করার দরকার নাই, OK চাপুন।
Partitioning_3rd_Step@IFLandroid

ধাপ ৪-কনফারমিংঃ

  1. ধাপ ৩ এর কাজ হয়ে গেলে Apply দিন।
  2. যা বলবে বলুকগা, Yes দিন।
কোণায় বক্সে কি কি করবে সেটা দেখতে পারেন।
Partitioning_4th_Step@IFLandroid

ধাপ ৫- নাচানাচিঃ

  • ধাপ ৪ কমপ্লিট কতে একটু টাইম নিবে, ধৈয্য ধরুন।
  1. ধৈর্য্য ধরিতে পারিলে ইহা দেখিতে পাইবেন।Partitioning_successful@IFLandroidতার মানে হইয়া গেছে!

ধাপ ৬- রিচেকিংঃ

বক্স বক্স করা জায়গাগুলাতে দেখতে পাবেন নতুন পার্টিশন করা পার্ট টা।
Partitioning_6th_Step@IFLandroidইউজড ৮৪.৮৭ এমবি দেখে ভয় পাওয়ার কিছু নাই, এগুলা ফাইল সিস্টেম।
সতর্কতাঃ
  • পার্টিশন করার আগে মেমোরি কার্ডের ব্যাকাপ রাখতে পারেন, বেশি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হারায়ে যাইতে পারে।

টিপসঃ একইভাবে কিন্তু পিসির হার্ডডিস্কও পার্টিশন করা যায়, শুধু File System ‘EXT4′ এর জায়গায় NTFS করে দিবেন আর কয়েকটা পার্ট করে ফেলবেন।

পিসি না থাকলে CWM Recovery দিয়েও কিন্তু পার্টিশন করা যায়, কিন্তু এতে আপনার মেমোরি কার্ড পুরাই ফরম্যাট হয়ে যাবে।

মেমোরি কার্ডের কাজ শেষ। খুলে ফোনে লাগিয়ে ফেলুন।
তারপর Link2SD app আপনার এন্ড্রয়েডে ইন্সটল করুন।
  • এপটি ওপেন করলে রুট এক্সেস চাইবে, রুট এক্সেস দিন।
  • সিস্টেম পার্টিশন কি সেটা জিজ্ঞেস করবে। ‘EXT4′ সিলেক্ট করে OK দিন।

    এরকম আসলে Reboot Device এ ক্লিক করুন, মোবাইল রিবুট হতে দিন।
  • অন করে Link2SD তে যান। Menu> Storage Info তে যান।
    SDCard 2nd Part এ দেখেন। যদি ঠিক মত সব করে থাকেন তাহলে ওই যে পার্টিশন করা পার্টটা দেখাবে।
    Credit: XDA-Developers forum
    যদি Not Found দেখায় তারমানে কোথাও ভুল করসেন, আগেরগুলা আবার করেন বা More>Recreate Mount Scripts দেন।
  • Link2SD এ যান, দেখবেন ফানেলের মত একটা আইকন আছে, সেটাতে টাচ করে ইন্টারনাল সিলেক্ট করুন। ছবির মত
  • মেনু কী চাপুন, সেখানে Multi Select একটা অপশন পাবেন। যে যে ইন্টারনাল এপ আপনি পারটিশনে নিতে চান সেগুলো সিলেক্ট করুন, অথবা Select All ও দিতে পারেন।
  • Action এ ক্লিক করুন। Create Link এ ক্লিক করুন।
  • এরকম দেখাবে, ছবির মত করুন এবং OK দিন
  • এপ্লিকেশনটা নিজে নিজেই সব ড্যাটা সেকন্ড পারটিশনে নিয়ে যাবে । এভাবে আপনার ইন্টারনাল মেমোরি অনেক ফ্রি হয়ে যাবে এবং আরো এপ ইন্সটল করতে পারবেন।

কাজ যদিও শেষ, কিন্তু এ কাজ বারবার যেন করতে না নয় সেজন্য জিনিসটা আমরা অটো করে দিব যাতে কোন নতুন এপ ইন্সটল করার সাথে সাথে লিঙ্ক হয়ে সেকন্ড পারটিশনে চলে যায়।
  • Menu> Settings এ যান।
  • Auto Link এ টিক মার্ক দিন।
  • Auto Link Settings এ ঢুকেন, এরকম করেন.

ব্যাস, এবার থেকে আপনাকে আর ইন্টারনাল মেমোরি নিয়ে চিন্তা করতে হবেনা। এই আপ্লিকেশন শুধু এপটাকে আপয়ান্র ইন্টারনালে রাখবে, বাদবাকি বাকি যত ড্যাটা, লাইব্রেরি ফাইল আছে সব পারটিশনে নিয়ে রাখবে, তাই আপনার ইন্টারনাল মেমোরিও আগে থেকে ফ্রি থাকবে।

আবারও টিপসঃ
  • আপনার যত এমবি ইচ্ছা তত এমবির পার্টিশন করতে পারেন, সমস্যা নাই। কিন্তু পার্টিশন করা পার্টটা আর নরমাল মেমোরি কার্ডের মত ব্যবহার করতে পারবেননা। ওটা শুধু Link2SD এপ ব্যবহার করতে পারবে।
  • পার্টিশন করে ফেলসেন মানে ওই পার্টটা নষ্ট হয়ে গেসে এমন কিছু না। আপনি মেমোরি কার্ড ফরম্যাট করে দিলে আগের মত হয়ে যাবে।
  • সবাই EXT2 ফরম্যাট রিকম্যান্ড করে কিন্তু আমি করি EXT4. যদি আপনার EXT4 কাজ না হয় তাহলে EXT2 তে ট্রাই করতে পারেন। তখন পার্টিশন করার ধাপ ৩ এ File System: EXT2 দিতে হবে এবং Link2SD তে EXT2 সিলেক্ট করতে হবে।
  • আপনি যদি সারাদিন মেমোরি কার্ড খোলা বাধার উপরে থাকেন তাহলে নিয়মিত ইউজ করা এপ গুলা লিঙ্ক করবেন না। মেমোরি কার্ড আবার না লাগানো পর্যন্ত লিঙ্ক করা এপ কাজ করবেনা।
    ----by----iflandroid

রুট করার আগে ও পরের প্রশ্নাবলী

রুট কি? করলে কি হবে?
সবচেয়ে সহজ শব্দে বলা যায়, রুট হচ্ছে অ্যাডমিনিস্ট্রেটর বা প্রশাসক। যদিও এর
বাংলা অর্থ গাছের শিকড়, লিনাক্সের জগতে রুট বলতে সেই পারমিশন বা অনুমতিকে বোঝায় যা ব্যবহারকারীকে সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী করে তোলে (অবশ্যই কেবল সেই কম্পিউটার, ডিভাইস বা সার্ভারে!)। রুট হচ্ছে একটি পারমিশন বা অনুমতি। এই অনুমতি থাকলে ব্যবহারকারী সেই ডিভাইসে যা ইচ্ছে তাই করতে পারেন।
উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী অ্যাডমিনিস্ট্রেটর প্রিভিলেজ ছাড়া সিস্টেম ফাইলগুলো নিয়ে কাজ করতে পারেন না (যেগুলো সাধারণত সি ড্রাইভে থাকে)। লিনাক্সেও তেমনি রুট পারমিশন প্রাপ্ত ইউজার ছাড়া সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের কাজগুলো করা যায় না। যিনি লিনাক্স-চালিত কম্পিউটার বা সার্ভারে যা ইচ্ছে তাই করতে পারেন অথবা যার সব কিছু করার অনুমতি রয়েছে, তাকেই রুট ইউজার বলা হয়। অনেক সময় একে সুপারইউজার বলেও সম্বোধন করা হয়ে থাকে। (কার্টেসি: এন্ড্রয়েড কথন)
আরো বিস্তারিত জানতে যান রুট কী ও
কেন, সুবিধা ও অসুবিধা।
Super User মূলত কি? এর কাজ কি? এই অ্যাপটি দিয়ে কি কি কাজ করা যায়?
Super User হল আপনার ডিভাইসের খোলা সিস্টেম এর দারোয়ান। কোন এপ যদি সিস্টেম ফাইলে উঁকিঝুঁকি মারতে চায়, কিছু এডিট ডিলিট করতে চায় তখনই Super User (বা SU) আপনাকে সেটা জানাবে। এখন আপনি বললেন যে হ্যাঁ এই এপ টা আমার পরিচিত, একে ঢুকতে দাও, তখনই Super User তাকে ঢুকার পারমিশন দিবে। যদি বলেন, না? এইডা কেডা? তাইলে সাফ এপটার মুখের উপর দরজা বেঁধে দিবে।
তাছাড়া এটা নোট করে রাখবে কখন কারে পারমিশন দেয়া হল।
রুট করার পর অটোমেটিক একটা সুপারইউজার অ্যাপ ডিভাইসে পাওয়া যায়। এটা রিমুভ করলে সমস্যা হবে কি?
রুট করার পর Super User তো থাকতেই হবে! নাইলে রুট অ্যাপ গুলার পারমিশন হ্যান্ডেল করবে কে? রিমুভ করে দিলে নতুন কোন রুট ফিয়েচার সম্বলিত অ্যাপ উইজ করতে পারবেন না, পারমিশন দিবে কে?
অনেক অ্যাপ আছে যা ডিভাইসে সেটাপ দিলে সুপারইউজার পারমিশন চায় না, অনেক অ্যাপ আবার পারমিশন চায়। এর কারণ কি? কোন অ্যাপ ভাল আর কোনটা মন্দ এটাই বা বুঝব কিভাবে?
সব অ্যাপকেই পারমিশন চাইতে হবে, চায় না এরকম কোন অ্যাপ নাই। আপনি যেটা বলতেসেন সেটা হল কোন অ্যাপকে একবার রুট এক্সেস দেয়ার পর আর চায় না কেন? ওটা হয় কারণ আপনি প্রথমবারই দেন “ALLOW ALWAYS” । প্রতিবার সিস্টেমে ঢুকার সময় Super User পারমিশন দেয়, ওই যে আপনি বলে দিসেন যে “ALLOW ALWAYS” তাই আপনাকে আর জিজ্ঞেস করে না, নিচে একটা টোস্ট ম্যাসেজ আকারে দেখায় যে “Access Granted to অমুক অ্যাপ”
রুট করা ছাড়া কি রম ব্যাকআপ রাখা যায় না? কেন?
আন রুটেড অবস্থায় সিস্টেম ব্যাকআপ নেয়া সম্ভব না। কারণ ব্যাকআপ নেয়ার জন্য সিস্টেম এক্সেস লাগে, কিন্তু রুট না করলে সিস্টেম এক্সেস [Example: /data/ ডিরেক্টরি] পাওয়া যায় না, সোজা কথায় Read, Write, Mod করা যায় না, Read Only অবস্থায় থাকে। সিস্টেম পাথ এক্সেস শুধু মাত্র রুট করলেই পাওয়া যায়।
রুট করার পর রম ব্যাকআপ রাখব কিভাবে? রিস্টোর করার পদ্ধতি কি?
রুট করার পর রম ব্যাকআপ রাখবেন রিকভারি মেনু তে গিয়ে। যেটা রুট করার পর System Recovery Image  আকারে ফ্ল্যাশ করা হয়,এটা পাবেন ফোন বন্ধ করে অন করার সময় ভলিউম ডাউন বাটন চেপে ধরে (যদি ফ্ল্যাশ করে থাকেন), রিস্টোর ও ওখান থেকে করা যায়।
রম এর ব্যাকআপ নিতে কত সময় লাগতে পারে? ব্যাকআপ এর পরিমাণ (সাইজ) কত মেগা/গিগা হতে পারে?
রম এর সাইজের উপর+ এসডি কার্ডের রাইট স্পিডের উপর ব্যাকআপ/রিস্টোরের সময় নির্ভর করবে। একইভাবে ব্যাকআপের সাইজের রম এর উপর নির্ভর করবে। এটা ৫০০ এম বি থেকে ২ জিবির মতও হতে পারে। + যদি এসডি কার্ডের পার্টিশন লিঙ্ক করেন তাইলে সেটার সাইজও ব্যাকআপের ভিতর ঢুকবে।
রুট করার পর ডিভাইসে ভাইরাস আক্রমণ করবে, স্বাভাবিক। ভাইরাস কি ফোনের পুরোপুরি কোনও ক্ষতি করতে পারে?
“রুট করার পর ডিভাইসে ভাইরাস আক্রমণ করবে, স্বাভাবিক।” এটা সম্পূর্ণ ভুল কথা। ইউজ জানলে আপনি রুট করে ডিভাইস আরো সিকিউর করতে পারেন। রুট করে ফেলসি মানে, আল্লাহ! যা তা আমার মোবাইলে ঢুকে যাবে!! এ রকম না। কোন এপ্লিকেশন সরাসরি রুট এক্সেস পায় না, প্রথমে “Super User” নামের একটা এপ থেকে পারমিশন নেয়, যেটা আপনি দিবেন। এখন একটা এপ্লিকেশন তখনই সিস্টেম ফাইল এডিট করতে পাবেন, যখন আপনি পারমিশন দিবেন। এখন যদি কোন ভাইরাসযুক্ত এপকে আপনি মনের সুখে রুট এক্সেস দেন, তাইলে তো ভাইরাস আক্রমণ করা স্বাভাবিক!
এবং, রুট এক্সেস পেলে কোন এপ আপনার সিস্টেম পুরা ক্রাশ সহ বুটলুপে ফেলে দেয়ার মত ক্ষমতা রাখে।  সিস্টেম এডিটে সামান্য ভুল মানেই সিস্টেম ক্র্যাশ।
ডিভাইসে ভাইরাস/ ম্যালওয়ার প্রবেশ করলে ডিভাইসটি ফ্যাক্টরি রিসেট দিলে কি সব ভাইরাস/ ম্যালওয়ার রিমুভ হয়ে ফোনটি একেবারে নতুনের মত (মার্কেট থেকে যেভাবে একটি সুস্থ ডিভাইস কিনেছিলাম সেরকম) হয়ে যাবে? না-হলে করণীয় কি?
যদি ডিভাইস আনরুটেড থাকে তাইলে তাইলে ফ্যাক্টরি রিসেট দিলে আপনার ভাষায় ফোন একদম নতুন হয়ে যাবে।আর যদি রুটেড হয় তাইলে দুইটা কুয়ারি থাকেঃ
i. কোন আবুল তাবুল সিস্টেম ফাইল ফ্ল্যাশ করসেন?
ii. নাকি করেন নাই?
i হলে. যদি আপনার ফ্ল্যাশ করা সিস্টেম এপ গুলার মধ্যে কোন ভাইরাস থাকে তাইলে ফ্যাক্টরি রিসেট দিলেও কিন্তু ওই এপ যাবে না। এখন আপনার যদি খুঁতখুঁত লাগে তাইলে রুট করার পর একদম প্রথমে নেয়া ব্যাকআপ টা রিস্টোর করতে পারেন (কারণ সেটা ছিল রুটেড অবস্থায় প্রথম ব্যাক আপ, তাই ভাইরাস থাকার পসিবিলিটি নাই) অথবা নেট থেকে ডিভাইসের অরিজিনাল ফার্মওয়ার ডাউনলোড করে ফ্ল্যাশাই দিলেও হবে, যদি তখন আনরুটেড হয়ে যাবে আবার, আই মিন পুরাপুরি নতুন।
ii হলে. ফ্যাক্টরি রিসেট।
রুট করার পর ভুলক্রমে যদি ডিভাইসে ভাইরাস ঢুকেও পড়ে, তাহলে আপনি বলেছেন ফ্যাক্টরি রিসেট দিলেই ঠিক হয়ে যাবে। আবার কাস্টম রম এর মধ্যে ভাইরাস থাকলে ফ্যাক্টরি রিসেট দিলেও কাজ হবে না। বুঝলাম। কিন্তু ঐ ভাইরাসযুক্ত কাস্টম রম ডিভাইসে থাকলে ডিভাইসের হার্ডওয়্যার-এর কোন ক্ষতি করবে নাতো? এমতাব্স্থায় ডিভাইসে কোন সমস্যা হলে পরে অরিজিনাল স্টক রম দেওয়া যাবে কি কোন ঝামেলা ছাড়াই?
কাস্টম রমেও সাধারণত ভাইরাস থাকে না। আর হার্ডওয়্যার এর ক্ষতি হতে দেখি নাই এখনো, তবে রুটেড অ্যাপ গুলা যেকোন কিছুই করতে পারে, যেমন প্রসেসরের ক্লক স্পিড বাড়াতে কমাতেও পারবে, তাইলে ব্যাটারিও তাড়াতাড়ি ড্রেইন হয়ে যাবে, এগুলা অলস মস্তিস্ক শয়তানের কারখানা,  নতুন ফার্মওয়ার দিলে আবার সব নরমাল হবে যাবে।
রুট করার পর ডিভাইসের র‌্যাম (Ram) এবং রম এর পরিমাণ বাড়িয়ে ডিভাইসকে ফার্স্ট করব কিভাবে?
রম বাড়ানো যায় এসডি কার্ড পার্টিশন করে Link2SD দিয়ে (অবশ্যই রুট এক্সেস লাগবে), গুগল করেন। আর RAM বাড়ানো তা তেমন কার্যকরী না, আপনার SDCARD Class 10 (মানে যথেষ্ট দ্রুতগতি সম্পন্ন) হলে তখন কাজ করে হয়ত, তাও গুগল করেন, RAM EXPANDER নামে একটা এপ আছে এ কাজের জন্য।
রুট করার পর ডিভাইসে শুধুমাত্র কি অ্যাপ-এর মাধ্যমেই ভাইরাস/ ম্যালওয়ারে ঢুকে, নাকি অন্যভাবেও ঢুকে? যেমন: এসডি কার্ডে যদি কোন ভাইরাস/ ম্যালওয়্যার থাকে সেখান থেকে কি ডিভাইস আক্রান্ত হওয়ার কোনও সম্ভাবনা আছে?
এসডি কার্ডে যদি এমন ভাইরাস থাকে যা মোবাইল দিয়ে এক্সিকিউট করা সম্ভব (যেমনঃ কোন .sh স্ক্রিপ্ট) তাইলে ডিভাইস আক্রান্ত হতে পারে। কিন্তু এরকম হয় না আসলে, কারণ দেখিয়েন এসডিকার্ডের বেশির ভাগ ভাইরাস যেগুলা পিসি ঢুকালে সাথে সাথে হাউ মাউ শর্টকাট ভাইরাস বানাই ফেলে,সেই এসডিকার্ড মোবাইলে ঢুকালে ভাইরাস পুরা ভেদার মত বসে থাকে। কারণ হল এসব পিসির ভাইরাসের এক্সটেনশন হল .exe বা .inf যা এন্ড্রয়েডে এক্সিকিউট করা সম্ভব না, যার দৌড় শুধু পিসি পর্যন্ত। তাই এরা নিষ্ক্রিয়। একইভাবে এন্ড্রয়েডের .apk ফাইল সরাসরি পিসিতে রান করা সম্ভব না।

কিভাবে রুট করে এবং কি কি লাগে ইত্যাদি

আজকে আমরা জানবো সিস্টেম পাথ কি, এগুলো কোথায় থাকে এবং সেই মিলিয়ন ডলার প্রশ্নের উত্তর,কিভাবে রুট করে এবং কি কি লাগে।
কিভাবে রুট করে সেটা দেখে ঝাপাই পড়ার কোন দরকার নাই, আমি আপনার নির্দিষ্ট ডিভাইস কেমনে রুট করে সেটা নিয়ে বলতে যাচ্ছি না। আপনাকে কতগুলো টিপস আর হিন্টস দিব যাতে সহজে রুট করার যাবতীয় টুলস খুজে পান আর সমস্যায় পড়তে না হয়।এগুলা না করলে আপনার ফোন মাঝে হ্যাং খাই বসবে আর আপনি মাশাআল্লাহ পুরো ফেসবুকের সব গ্রুপে কান্দি ভাসায় ফেলবেন। :v
(রুট সম্পর্কে ধারণা না থাকলে দয়া করে আগের আর্টিকেল পড়ে আসেন এখানে ক্লিক করে, নাইলে আপসারাপ এটা পড়ে সব মাথার উপর দিয়ে যাবে)

আমরা গত পর্বে শিখলাম যে রুটিং মানে সিস্টেম পাথ এক্সেস পাওয়া যাতে আমরা সিস্টেমের যে কোন পরিবর্তন/পরিবর্ধন/পরিমার্জন করতে পারি। এখন কথা হল সিস্টেম পাথ(Path) আবার কি?
এটার মানে হল ফোন যেসব ফাইল ছাড়া অন ই হতে পারে না(অর্থাৎ কোর ফাইল) , যেসব এপ্লিকেশন থাকা আবশ্যক, আপনার ইন্সটল করা এপ্লিকেশন, সবকিছু থেকে সেইভ করে রাখা ড্যাটা ইত্যাদি সবকিছু ভিতরে রাখে। নিজের রাখা জিনিস যেন খুঁজে পায় সেজন্য আবার সাজিয়ে সাজিয়েও রাখে। যেমনঃ সিস্টেমের যাবতীয় ফাইল রাখে “/system” পাথে (বা ডিরেক্টরিতে,যেটা দিয়ে বুঝতে আপনার সুবিধা হয়) ।যেসব এপ্লিকেশন আপনি আনইন্সটল করতে পারেন না সেগুলো থাকে “/system/app” ডিরেক্টরিতে, ফন্ট থাকে “/system/fonts” এ, বিভিন্ন ফন্ট চেঞ্জার এপগুলো এখানের ফাইল গুলা নিয়ে কারিকুরি করে ফন্ট চেঞ্জ করে। এভাবে সব জিনিস গুছানো থাকে। তারপর থাকে “/data” পাথ। এখানে অন্যসবকিছুর সাথে আপনার ইন্সটল করা এপ্লিকেশন গুলো থাকে, তাদের সেইভ করা ডাটাগুলো থাকে। এমনকি আপনার লকস্ক্রিনের প্যাটার্ন কি, পাসওয়ার্ড কি ও থাকে। তাইলে বুঝতেসেন এগুলোকে সিকিউর করে রাখা অনেক জরুরি, নাইলে সবাই আপনার ড্যাটা চুরি করে ফেলতে পারবে। সেজন্য প্রথম দিকে যখন আপনি কিছুই বুঝেন না, দুধের বাচ্চা, তখন সবকিছু লক করে দেয়। এরপর আঙ্গুল চুষতে চুষতে যখন বুঝতে শিখেন যে, এগুলো নিয়ে আমি ঘাঁটবো কিন্তু অন্য কাউকে দেখতেও দিবো না, তখন মোবাইল রুট করে ফেলেন। রুট করে ফেললে যে এগুলো একদম সবাই পরে ফেলতে পারবে এমন কিছুও না।কারণ তখন “SuperUser” নামে একটা এপ্লিকেশন থাকে যেটা সব পারমিশন নিয়ন্ত্রন করে। আচ্ছা, তাইলে তিনটা পাথের নাম জানি,
“/ ” এটাকে বলে Root Path, সবার প্যারেন্ট ডিরেক্টরি।
“/system ” এটাকে বলে সিস্টেম পাথ।
“/data ” এটাকে বলে ড্যাটা পাথ।
এবার আসা যাক রুট কেমনে করে সেটা নিয়ে।
রুট করাকে আমরা বাঘের মুখ থেকে মোবাইল ফিরিয়ে আনার মত কঠিন কাজ হিসেবে চিন্তা করি, কারণ পিচ্চিকাল থেকে আমাদের মধ্যে একটা ভয় ঢুকাই দেয়া হইসে যে সেট ব্রিক হয়ে যাবে, তখন তো আর চলবে না। আরে ভাই আজিব, একটা মেথড জেনেও আপনার যেখানে এত ভয় লাগতেসে, সেখানে যে এই প্রথম মেথড টা বানাইসে তার কি অবস্থা ছিল? সেতো ৫০-৫০ চান্স দিয়ে নিজের মোবাইলকে কুরবানী করে দিতে চাইসিলো। তার সাথে আপনার অবস্থা চিন্তা করেন
আচ্ছা যাই হোক,রুট করার মেথড খুজেঁ পাওয়া নিয়ে আলোচনা হোক। রুট করার সময় মেথড খুঁজে পেতে ব্রান্ড আর নন-ব্রান্ডের মধ্যে পার্থক্য দেখা যায়। কারণটা হল ব্রান্ডের সেটগুলো ওয়ার্ল্ডওয়াইড বিক্রি হয়, ফলে এর যেমন পুরো বিশ্বজুড়ে ইউজার থাকে তেমনি ডেভেলপারও থাকে। এতে তাদের শেয়ার করা মেথড খুব সহজেই পাওয়া যায়, ইউজার রিভিউ পাওয়া যায় ইত্যাদি। যেমনঃ প্রায় ব্রান্ডেড সেটগুলা xda-developers ওয়েবসাইটে(যেটি বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় ডেভেলপারদের ওয়েবসাইট) অন্তর্ভুক্ত থাকে ফলে যেকোন ব্রান্ডের রুটিং মেথড খুঁজে পাওয়া তেমন কষ্ট না।
কিন্তু নন-ব্রান্ডেড সেটের ক্ষেত্রে গুগল করে রুটিং মেথড খুঁজে পাওয়া বেশ কষ্টের আর বিদেশ থেকে নন-ব্রান্ড ইম্পোর্ট করে আনলে তো মাশাল্লাহ,আপনি খুঁজতে খুঁজতে আমার বাচ্চাকাচ্চা হয়ে যাবে।
গুগল করে যদি না পান, এক্ষেত্রে আপনার প্রথম পদক্ষেপ হোক আপনার সেটের নামে ফেসবুকে সার্চ করুন, কোন না কোন গ্রুপ পাবেন ই! এসব গ্রুপে শুধু ওই ফোনের সব ট্রিক্স শেয়ার হয় বলে আপনার লাভও হবে, শুধু প্রথমে জয়েন করেই কিছু জিজ্ঞেস করে ফেলবেন না। গ্রুপের ডকে খুঁজবেন, দেখবেন থাকবেই, কারণ এটাই এন্ড্রয়েডের সব কাস্টমাইজেশনের জন্য লাগে। না পেলে তখন জিজ্ঞেস করবেন, কোন না কোন পথ পাবেন ই।
ফেসবুক, গুগল কোথাও যদি না পান তাইলে তো কিছু করার নাই।
তবে গুগল সবচেয়ে বেশি সুবিধার, কারণ এখন সব মোবাইল ম্যানুফ্যাচারার-এর ফোরাম থাকে, যেখানে বিভিন্ন ট্রিক্স থ্রেড আকারে পোস্টানো হয়।
ধরি আপনি রুট করার মেথড পেয়ে গেলেন, এবার যেসব ফাইল লাগে সব নামাই ফেলেন। সাধারণত দুই পদ্ধতিতে রুট হয়, ১।সোজা ২।মোটামুটি সোজা
সোজা মেথড টা হল Framaroot. যদি এই এপ্লিকেশনটা দিয়ে আপনার মোবাইল রুট করা যায় বলে দেখেন তাইলে পিসির দরকার নাই।পিসি ছাড়াই এপ্লিকেশন টা ইন্সটল করে আপনার পাওয়া মেথড ব্যবহার করবেন। রুট হয়ে যাবে।
মোটামুটি সোজা মেথডে পিসি লাগে, এক্ষেত্রে মোবাইলের ড্রাইভার জিনিসটা সবচেয়ে বেশি ইম্পরট্যান্ট। ড্রাইভার ইন্সটল না করলে পিসি বুঝে না যে আপনার মোবাইল তার সাথে কানেক্ট করা আছে। তাই মেথডে লেখা থাকে কিভাবে ড্রাইভার ইন্সটল করতে হয়। পিসি দিয়ে রুট করার সময় আরো কিছু জিনিস লাগে তা হল ADB Driver আর Fastboot Driver (এগুলো কি সেটা পরে আলোচনা হবে)। তাইপিসি দিয়ে রুট করার ক্ষেত্রে খেয়াল রাখবেন যেন এই তিনটা জিনিস থাকে (কই পাবেন? যে পোস্টে রুট করার মেথড পাইসেন তারাই বলে দিবে) । ADB driver না থাকলে কোন শেল স্ক্রিপ্ট আপনার মোবাইলে চলতে পারবে না, ফলে রুট হবে না। Fastboot Driver না থাকলে আপনার মোবাইল বন্ধ হয়ে গেলে তখন পিসি বুঝবে না আসলে কোন ডিভাস বন্ধ অবস্থায় (Fastboot মুডে) কানেক্টেড আছে কিনা। এখনের সব রুটিং টুল ওয়ান ক্লিক এই কাজ করে, আপনার কাজ হল এগুলো সব ইন্সটল আছে কিনা দেখা। সব থাকলেই রুট হয়ে যাবে। (এতটুকে মাথা ঘুরালে রুট করিয়েন না, অনেক ধৈয্যের ব্যপার এটা) আর একটা জিনিস খেয়াল রাখবেন এসময় অরিজিনাল ক্যাবল ও ভালো ইউএসবি পোর্ট ব্যবহার করবেন। এগুলোর জন্যও অনেক সময় পিসি মোবাইল ডিটেক্ট করতে পারে না। সাকসেসফুলি রুটেড হলে দেখবেন আপনার মোবাইলে নতুন একটা এপ্লিকেশন আসছে যার নাম “SuperUser” বা “SuperSU”
চলবে…তারপর আসছে কিভাবে রিকভারি ইন্সটল করবেন, ব্যাক আপ নিবেন, তারপর সিস্টেম ফাইল নিয়ে বিভিন্ন খেলাধুলা..

রুট কি? কেন করবো?

বর্তমানে এন্ড্রয়েডের ব্যবহার প্রচুর বৃদ্ধি পাওয়ায় আমরা এন্ড্রয়েডের খুঁটিনাটি সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হয়ে উঠেছি। এর মধ্যে রুটিং, কাস্টম রম, ফ্রেমওয়ার্ক, পোর্টিং এ কথাগুলো প্রায় শুনে থাকবেন।যেহেতু জিনিসগুলো অনেক প্যাঁচ এবং ছোট খাটো লেখায় বুঝতে অসুবিধা হয় তাই সব একসাথে না বলে আলাদা আলাদা ভাবে তুলে ধরবো। আমরা আজকে রুট এবং এর সাথে সম্পর্কিত সব তথ্য জানার চেষ্টা করবো, ধৈয্য রাখা সত্যি বাঞ্ছনীয় এবং কিছু না বুঝলে অবশ্যই জিজ্ঞেস করে জানার চেষ্টা করবেন।
  • তো, প্রথম কথা হল রুট (Root) কি?
রুট প্রথমে ব্যবহ্রত হয় লিনাক্সে, আপনারা হয়ত জানেন যে এন্ড্রয়েড হল একটি মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম এবং এটি লিনাক্সের উপর বেইস করে চলে । অর্থাৎ লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমকে মোবাইলে/স্মার্টফোনে চলার উপযোগী করে বানানো হয় যাকে আমরা এন্ড্রয়েড বলে চিনি এবং এই কাজটি করে গুগল (তাই গুগলের আন্ডারে এন্ড্রয়েড ভার্সনের আপডেট বের হয়, যেহেতু তারাই এটা ডেভেলপ করে)। এখন লিনাক্সে রুট মানে হল এডমিনিস্ট্রেটর টাইপ কিছু, এই এক্সেস থাকলে আপনি সিস্টেমের যে কোন পরিবর্তন/পরিবর্ধন/পরিমার্জন করার পারমিশন পারবেন। যেহেতু এন্ড্রয়েড লিনাক্সের আন্ডাবাচ্চা, যেহেতু কাহিনী একই, আপনি যদি রুট এক্সেস পান তাইলে আপনি সিস্টেমের(মানে অপারেটিং সিস্টেমের কোর ফাইলগুলা সহ)যে কোন পরিবর্তন করতে পারবেন। তারমানে আমরা শিখলাম যে রুট মানে অফিসের বস টাইপ কিছু যার পাওয়ার সবার চেয়ে বেশি এবং এই পাওয়ার দিয়ে আমরা নিজের মত করে ফোনকে চালাবো, ফোন যেমন বলে আমরা তেমন চলবো না!
  • Root করা বা Rooting মানে কি?
আগে বললাম সিস্টেম ফাইল এক্সেস করার পারমিশন পাওয়া, এখন প্রত্যেক ম্যানুফ্যাচারার সিস্টেম পাথ গুলো Read-Only করে দেয় যাতে আপনি ঢুকতে না পারেন(এটা একচুয়ালি সিকিউরিটির জন্য করা হয়, আপনি ভুলভাল গুতাগুতি করে সিস্টেমের কোন ফাইল ডিলিট করে দিলে মোবাইল এর পরের বার অন ই হবে না)। আর রুটিং মানে এই সিস্টেম পাথের এক্সেস ফিরে পাওয়া। মানে Read-Write মড করতে দেয়া। অনেকটা এইভাবে বললে মনে থাকবে- -“বৎস, তুমি কি স্বজ্ঞানে সিস্টেম এক্সেস পেতে চাও? পরে প্যাচালে পরলে আমার দোষ নাই!”
-“জ্বি , কবুল কবুল কবুল।”
  • আপসারাপ রুট করে লাভ কি? এমনেই তো ভালো আছি!
রুট ছাড়া আপনি ভালো থাকলে কোন সমস্যা নাই। সমস্যা হল আমরা স্যাটিসফাইড না, আজিব, আমার মোবাইল আমার যেমন কিছু তেমন করুম! “Access Denied” বলার তুমি কে হে?
রুট ফিয়েচারিং অনেক এপ্লিকেশন আছে যেগুলো অনেক উপকারী, আবার সেগুলো রুট ছাড়া ছলে না! যেমনঃএন্ড্রয়েডে ইন্টারনেট ইউজ এক বিরাট সমস্যা, রাতে অন রেখে সকালে উঠলে ৫০ এমবি গায়েব, নিজে নিজে সব আপডেট হয়ে যায়! তো DroidWall এমন একটি এপ যা দিয়ে আপনি অন্য এপ গুলোর নেট ইউজ রেস্ট্রিক্টেড করে দিতে পারবেন, আপনি যদি শুধু অপেরা মিনি,ইউসি ব্রাউজার চালান তাইলে শুধু এগুলোতে টিক মার্ক দিবেন, বাকি যত এপ আছে কেউ আর নেট এর ‘ন’ ও ছুঁইয়ে দেখতে পারবে না! এবং অনেক হাজার হাজার এপ আছে যেগুলো ব্যবহার না করলে আপনার জীবন ষোল আনায় মিছে।
আপনি চাচ্ছেন মোবাইলের ‘লুক’টাই পাল্টে ফেলতে, স্ট্যাটাস বার, নেভিগেশন বার, সিস্টেম উইজার ইন্টারফেস সহ সব! আগে রুট করে আসেন। মাত্র গেল এপ্লিকেশনের কথা, মনে করেন আপনার মোবাইলের ম্যানুফ্যাচারার (say HTC) আপনার ফোনে 2.3.6 এর বেশি এন্ড্রয়েভ ভার্সনের আপডেট দিচ্ছে না। এখন HTC কেন দিচ্ছে না সেটা নিয়ে বালিশ ভিজাবেন নাকি নিজে কোন পথ খুঁজবেন? জ্বি, এন্ড্রয়েড ভার্সন আপডেট করা যায় কাস্টম রম(এইটা কি পরে বলতেসি) ইন্সটল করে, যার জন্য প্রথম প্রয়োজন Root!আশা করি এবার ব্যাপারটা বুঝা গেসে।কিভাবে সেটা আস্তে আস্তে পড়লে ক্লিয়ার হয়ে যাবে। :D
  • রুট যদি ইম্পরট্যান্ট হয় তাইলে ম্যানুফ্যাচারার-রা কেন রুট করে দেয় না? আবার কেন বলে যে রুট করলে ওয়ারেন্টি দিবে না আর, হু?
আনরুটেড থাকা মানে আপনি সিস্টেমে টাচও করেন নাই, তাই সফটওয়ার ম্যালফাংশন হয়ে পারে না, হলেও আপনার দোষ না, প্রোডাক্ট ছাড়ার সময় যে ফোন ফ্ল্যাশ করসে তার দোষ। রুট এক্সেস দেয় না কারণ এটা একচুয়ালি সিকিউরিটির জন্য। আপনি ভুলভাল গুতাগুতি করে সিস্টেমের কোন ফাইল ডিলিট করে দিলে মোবাইল বুট হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ফাইল খুঁজে পাবে না আর অন হবে না। আর রুট করতে পারা মানে আপনার সিস্টেম ফাইল সম্পর্কে নূন্যতম ধারণা আছে, বুঝেন যে এগুলা ডিলিট হলে আপনার ফোন অন কবে না, তাই নিশ্চয় আপনি তখন আর কিছু ডিলিট করবেন না।
রুট করে ফেলার পর তো আপনি সিস্টেম ফাইল গুলো নিয়ে রান্নাবাটি খেলতে পারেন, সনির এপ ওয়াল্টনে দিয়ে পারেন, সিম্ফোনির এপ স্যামস্যাং এ দিতে পারেন। তো এর পরের জগাখিচুড়ি যদি অন না হয় এর দায় কেন ম্যানুফ্যাচারার নিবে? রুট করে সিস্টেমের দায়িত্ব নিসেন আপনি তাই অন না হলে দায়িত্ব আপনার।
  • আজিব, ভয় কেন লাগান, অন হবে না মানে? তখন কি করবো?
রুট করার পর একটা কাজ করতে হয় যার নাম কাস্টম রিকভারি ইন্সটল করা। (নাম শুনে থাকবেন, CWM, TWRP) তো রুট করার পরই এগুলো ইন্সটল করে আপনার পুরো সিস্টেমের একটা ব্যাকআপ নেয়া হয়(যাকে বলে স্টম রম ব্যাক আপ)। এখন আপনি কোন ভুল করার ফলে যদি ফোন বুটলুপ (ফোন বারবার অন অফ হতে থাকা) এ পরেন তাইলে রিকভারি মেনুতে গিয়ে ব্যাক আপ নেয়া সিস্টেম টা রিস্টোর করে নিতে পারবেন। যেহেতু আগের সিস্টেম ব্যাকআপে কোন ভুল ছিল না তাই সেটা ইন্সটল করলে ফোন অন হবেই!
  • কাস্টম রমঃ আমাদের মোবাইলে একটা চিপসেট থাকে (MEDIATEK, QUALCOMM) যেটা অনেক মোবাইলের একই হয়। মনে করেন, আপনার দুইটা সেটের নাম WALTON PRIMO H2 ও MICROMAX CANVAS HD এবং দুটিই চলে MEDIATEK চিপসেট দিয়ে। কিন্তু ওয়াল্টন বলসে WALTON PRIMO H2 তে 4.2.1 পর্যন্ত আপডেট দিবে , এরপরে আর দিবে না। কিন্তু মাইক্রোম্যাক্স বললো MICROMAX CANVAS HD এ 4.4 এর আপডেট দিব (ধরে নেন, দিবে বলে মনে হয় না)। এখন যেহেতু দুই সেটের চিপসেট একই সেহেতু Canvas HD এর রম কিন্তু H2 তে ব্যবহার করা সম্ভব। Canvas HD এর রম H2 তে চলার উপযোগী করে তোলার উপায়কে Rom Porting বলে। এবং এই ধরনের রম কে বলা হয় কাস্টম রম। আশা করি বুঝছেন কিভাবে কাস্টম রমের মাধ্যমে এন্ড্রয়েড ভারসন আপডেট করা যায়।
  • কাস্টম রিকভারীঃ মানে ফোন অন না হলে না বুটলুপে পড়লে পাওয়ার বাটন এবং ভলিউম আপ/ডাউন বাটন চেপে ধরলে একটা মেনু আসে যার না রিকভারি মেনু। এটাতে ফোনের সিস্টেম অন না করেই ঢুকা যায়। এখন কাস্টম রিকভারি মানে এই জায়গায় নতুন একটা রিকভারি ইন্সটল করে দেয়া যেগুলোতে সিস্টেম ব্যাক আপ রিস্টোর করা সহ বিভিন্ন সুবিধা থাকে। এর সাহায্যে আপনি ভুলভাল কিছু করেও ফোন ঠিক করে ফেলতে পারবেন। আরো অনেক অনেক কাজ আছে কাস্টম রিকভারির।

কিভাবে এন্ড্রয়েড ডিভাইসে ব্যাকআপ ও রিষ্টোর করবেন (নানড্রয়েড) ???

এন্ড্রয়েড ডিভাইসের সুবিধা গুলির মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হলো “সীমাবদ্ধতার” সীমানা খুবী কম। মানে ইচ্ছে হলেই ডিভাইসের রম পরিবর্তন করা, বিভিন্ন মড ইন্সটল করা, কার্নেল আপডেট করা ইত্যাদি এবং পছন্দ না হলে স্টক রমে ফিরে আসা, নতুন করে আবার চেষ্টা করা। এই কাজ গুলি করার আগে ও পরে একটি কাজ খুবী গুরুত্ত পূর্ণ, আর তা হলো “নানড্রয়েড ব্যাকআপ” – এই শব্দটি সবার কাছে কমবেশী পরিচিত। বর্তমানে কিছু অ্যাপ আছে যেগুলি ইন্সটলের পূর্বে এমনকি রান করার পূর্বেও নানড্রয়েড ব্যাকআপ রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন অ্যাপ গুলির নির্মাতা/রা।

কিছু অ্যাপ আছে যেগুলি দিয়ে নানড্রয়েড ব্যাকআপ করা যায় কিন্তু প্রয়জনের সময় দেখাযায় ঐ ব্যাকআপ আর কাজে আসেনা! আবার কিছু ডিভাইস (মডেল) আছে যেগুলির কাস্টম রিকভারি সহজে পাওয়া যায় না। তাই আজ নির্ভর যোগ্য কিছু পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করব।
নানড্রয়েড ব্যাকআপ কি?
এক কথায় বললে – ডিভাইসের সম্পূর্ণ অপারেটিং সিস্টেম এর ব্যাকআপ। এর মানে অপারেটিং সিস্টেম, সিস্টেম ডাটা, সিস্টেম অ্যাপ, সিস্টেম সেটিংস সহ সব কিছু। এই ব্যাকআপ রাখার জন্যে জনপ্রিয় মাধ্যম হলো কাস্টম রিকভারি এবং তারমধ্যে উল্ল্যেখ যোগ্য হলো CWM ও TWRP রিকভারি। কারন ডিভাইসের যে কোন পরিস্থিতিতে এগুলির মাধ্যমে ব্যাকআপ রিষ্টোর করা বা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া যায়।
আমি কোন ভাবেই আপনার ডিভাইসের ক্ষতির জন্য দায়ী থাকবোনা, সম্পূর্ণ নিজ দায়িত্বে কাজ করবেন।
আপনার ডিভাইসে যদি এই কাস্টম রিকভারি গুলির কোনটি ইন্সটল না থাকে, তাহলে নিচের লিঙ্ক থেকে ইন্সটল করে নিন।
Custom Recovery চলুন দেখাজাক কি ভাবে কাস্টম রিকভারির মাধ্যমে নানড্রয়েড ব্যাকআপ করবেন –
ClockworkMod [CWM] Recovery ব্যাবহার করেঃ
১। কাস্টম রিকভারি মুডে ডিভাইস রান করাতে হবে। যেহেতু ডিভাইস ভেদে এই পদ্ধতি আলাদা হয়ে থাকে তাই এইখানে উল্ল্যেখ করলাম না। যদি পদ্ধতি জানা না থেকে তাহলে Google এর সহায়তা নিতে পারেন।
২। CWM মুডে ডিভাইস রান করলে “Backup and Restore” অপশন পাবেন। এই অপশনটি হাইলাইট করে ক্লিক করুন
CWM-Backup&restore 002
৩। Backup and Restore অপশনে প্রবেশ করলে এর অধিনে বেশকিছু সাব-অপশন পাবে। এগুলি (সাব-অপশন) নিচে আলোচনা করা হলো –
Backup to /sdcard: এই অপশন দিয়ে ডিভাইসের internal sd card এ Nandroid Backup করা যাবে।
restore from /sdcard: এই অপশন দিয়ে ডিভাইসের internal sd card থেকে Nandroid Backup রিষ্টোর করা যাবে (যদি পূর্বে নেওয়া থাকে)।
delete from /sdcard: এই অপশন দিয়ে internal sd card থেকে Nandroid Backup ডিলিট করা যাবে (যদি পূর্বে নেওয়া থাকে)।
advanced restore from /sdcard: এই অপশন দিয়ে কিছু বর্ধিত বৈশিষ্ট্য সহ internal sd card থেকে ব্যাকআপ রিষ্টোর করা যাবে।
backup to /storage/extSdcard: এই অপশন দিয়ে external sd card এ Nandroid Backup করা যাবে।
restore from /storage/extSdcard: এই অপশন দিয়ে external sd card থেকে Nandroid Backup রিষ্টোর করা যাবে (যদি পূর্বে নেওয়া থাকে)।
delete from /storage/extSdcard: এই অপশন দিয়ে external sd card থেকে Nandroid Backup ডিলিট করা যাবে (যদি পূর্বে নেওয়া থাকে)।
advanced restore from /storage/extSdcard: এই অপশন দিয়ে কিছু বর্ধিত বৈশিষ্ট্য সহ external sd card থেকে ব্যাকআপ রিষ্টোর করা যাবে।
free unused backup data: এই অপশন দিয়ে অব্যাবহৃত ব্যাকআপ ডাটা ফ্রী করা যাবে এবং এতে ডিভাইসের sd card এর যায়গা (free space) বাড়ানো যাবে।
choose default backup format: এই অপশন দিয়ে ব্যাকআপ এর ফর্মেট নির্ধারণ করা যাবে।
CWM06
উপরের অপশন গুলি থেকে আপনার প্রয়োজনীয় অপশনটি বেছেনিয়ে ডিভাইসের নানড্রয়েড ব্যাকআপ বা ব্যাকআপ রিষ্টোর করতে পারবেন।
TWRP Recovery ব্যাবহার করেঃ
১। কাস্টম রিকভারি মুডে ডিভাইস রান করাতে হবে। যেহেতু ডিভাইস ভেদে এই পদ্ধতি আলাদা হয়ে থাকে তাই এইখানে উল্ল্যেখ করলাম না। যদি পদ্ধতি জানা না থেকে তাহলে Google এর সহায়তা নিতে পারেন।
২। TWRP Recovery মুডে রান হলে “Backup” অপশনে ক্লিক (tap) করুন।
TWRP-Backup-Option-001
৩। ব্যাকআপ অপশনে প্রবেশ করলে ভার্সন ভেদে নিচের অপশন গুলি দেখাবে –
System, Data, Boot, Recovery, Cache, EFS
৪। আপনার প্রয়োজন মত অপশন গুলি মার্ক করে দিন এবং প্রয়োজনে ব্যাকআপের নাম নির্ধারণ করে দিন (Set Backup Name থেকে)।
৫। Swipe to Back Up বাটনে swipe করে ব্যাকআপ চালু করুন।
ঠিক একইভাবে ব্যাকআপ রিষ্টোর করতে পারবেন “Restore” বাটনে ক্লিক (tap) করে।
যদি কোন কারনে উপরের পদ্ধতি আপনার ডিভাইসে কাজ না করে তাহলে নিচের পদ্ধতি অবলম্বন করুন। এইখানে একটি অ্যাপ ব্যাবহার করা হবে, যা দিয়ে সহজে নানড্রয়েড ব্যাকআপ নিতে পারবেন। এর জন্যে সধু ডিভাইসে রুট এক্সেস থাকতে হবে। অ্যাপটির নাম – “Online Nandroid Backup”, ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এই Online সেই Online না। এখানে Online শব্দটি ব্যাবহার করা হয়েছে কারন এই অ্যাপদিয়ে ব্যাকআপ করতে সিস্টেম ডাউন করতে হবে না, মানে রিকভারি মুডে বুট করতে হবে না।
Online Nandroid Backup screensort
যাহোক, এই অ্যাপটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে নিচের লিঙ্ক গুলি দেখতে পারেন।
XDA Link  Official Supported Devices


ডাউনলোডঃ
Download [MediaFire] Download [Play Store]
যে কোন একটি পদ্ধতি অবলম্বন করে ডিভাইসের Nandroid Backup করে নিন এবং একাধিক স্থান বা মাধ্যমে সংরক্ষণ করুন।
by ---bddroid

Custom ROM কি? কেন ও কিভাবে Custom ROM ইন্সটল করবেন ????

কাস্টম রম কি তা জানার আগে জানতে হবে ROM এবং Stock ROM সম্পর্কে ।
ROM : ROM শব্দটা এখন অন্য অর্থে ব্যবহৃত হয়। আসলে ROM হচ্ছে একধরনের স্টোরেজ। এই স্টোরেজ থেকে ডাটা নেওয়া যায় কিন্তু কোন ডাটা লেখা (write) করা যায় না। এন্ড্রয়েডের জন্য যখন রম শব্দটি ব্যবহৃত হয় তখন সেটা দিয়ে ডিভাইসের অপারেটিং সিস্টেমকে (Operating System, OS) বোঝায়। আসলে সঠিক শব্দটা হবেFirmware যেমনঃ স্টক ফার্মওয়্যার, কাস্টম ফার্মওয়্যার ইত্যাদি। তবে এখন রম শব্দটিই প্রচলিত।

রম ডিভাইস ভেদে আলাদা। ৯৯% সময় এক ডিভাইসের রম অন্য ডিভাইসে ইন্সটল করা যায় না। করার চেষ্টা করলে ডিভাইস ব্রিক করবে। স্টক ও কাস্টম রম, দুটোর ক্ষেত্রেই একই কথা প্রযোজ্য। তবে ডিভাইসের স্পেসিফিকেশনে মিল থাকলে (প্রসেসর স্ট্রাকচার, চিপসেট, রেজুল্যুশন) হয়তো ইন্সটল করা সম্ভব অথবা পোর্ট করে তারপর ইন্সটল করতে হবে।

Stock ROM : আপনার এন্ড্রয়েড ডিভাইসটি যখন কেনেন তখন এটাতে একটা অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করাই থাকে, আপনার ডিভাইসের ম্যানুফ্যাকচারার/ প্রস্তুতকারক সেটা ইন্সটল করে দিয়েছে। এই প্রি-ইন্সটলড (Pre-installed) অপারেটিং সিস্টেমকে স্টক রম/ ফার্মওয়্যার বলে। এই রমগুলোতে ম্যানুফ্যাকচারার তাদের নিজস্ব কিছু অ্যাপ্লিকেশন সিস্টেম অ্যাপ হিসেবে ইন্সটল করে দেয় (এগুলো হচ্ছে ব্লোটওয়্যার, Bloatware) যা সাধারনত আন-ইন্সটল করা যায় না। এছাড়া অনেক ম্যানুফ্যাকচারার মূল এন্ড্রয়েড সোর্স এডিট করে তাদের নিজেদের মত করে ইউজার ইন্টারফেস (User Interface, UI) বানিয়ে ডিভাইস বাজারজাত করে। বেশির ভাগ ম্যানুফ্যাকচারার তাদের স্টক রমের সোর্স কোড রিলিজ করে, যা আপনি ইচ্ছা করলে নামিয়ে এডিট করতে পারেন।
Custom ROM : কাস্টম রম হচ্ছে স্টক রম বেইজড এক ধরনের কাস্টমাইজড রম। কি ধরনের কাস্টমাইজেশন, পরিবর্তন, বাড়তি সুবিধা থাকবে সেটা ডেভেলপারের উপর নির্ভর করে।
কি কি সুবিধা থাকতে পারে এবং কেন কাস্টম রম ইন্সটল করবেনঃ
১. Update : স্টক ফার্মওয়্যারের চেয়ে কাস্টম রমের আপডেট পাওয়া যায় অনেক তাড়াতাড়ি। যেহেতু অনেক ইন্ডিপেন্ডেন্ট ডেভেলপাররা মিলে কাস্টম রম বানায়, তাই কয়েক সপ্তাহ পর পর নাইটলি বিল্ড রিলিজ করা হয় যাতে নতুন ফিচার যুক্ত করা থাকে।
২. Better Performance : কাস্টম রমে সব ধরনের ব্লোটওয়্যার আন-ইন্সটল করা থাকে। তাই এটা স্টক রমের তুলনায় ফাস্ট হয়, র‍্যামও কম খরচ হয়। এছাড়া অনেক সময় রমের সাথে কাস্টম কার্নেল দেওয়া থাকে যেটা ডিভাইস আরও দ্রুত করতে সাহায্য করে।
৩. Android Version Upgrade : কাস্টম রম ডেভেলপ করার অন্যতম উদ্দেশ্য থাকে এন্ড্রয়েডের ভার্সন আপগ্রেড করা। অর্থাৎ আপনি কাস্টম রমের মাধ্যমে আইস ক্রিম স্যান্ডুইচ (Ice Crem Sandwich, ICS) থেকে জেলী বিন (Jelly Bean, JB) বা কিটক্যাট (Kitkat) এ আপগ্রেড করতে পারবেন। তবে এটা নির্ভর করে আপনার ডিভাইসের জন্য কেউ আপগ্রেডেড রম রিলিজ করেছে নাকি তার উপর।
৪. Better Software Support : কাস্টম রমে অনেক সময় বিভিন্ন অ্যাপের জন্য সাপোর্ট দেওয়া থাকে যা হয়তো আগে স্টক রমে ইন্সটল হত না।
কাস্টম রম ইন্সটলের পদ্ধতিঃ
যেখান থেকে রম ডাউনলোড করবেন সেখানেই ইন্সটলের পদ্ধতি বলে দেওয়ার কথা। বেসিক পদ্ধতি হচ্ছেঃ
  • প্রথমে আপনার ডিভাইস রুট এবং কোন একটা কাস্টম রিকভারি (CWM, TWRP, CTR ইত্যাদি) ইন্সটল করতে হবে।
  • কাস্টম রম ডাউনলোড করে নিন। বেশির ভাগ সময় রম জিপ (.zip) ফরম্যাটে দেওয়া থাকবে। নামানোর পর সেটা মেমোরি কার্ডে রাখুন।
  • রিকভারিতে যান। wipe data, wipe cache, factory reset – এই কাজ গুলো করেন
  • এরপর install zip from sdcard সিলেক্ট করে রমের জিপ ফাইলটি সিলেক্ট করুন
  • রম ইন্সটল শুরু হবে। অপেক্ষা করুন শেষ হওয়ার জন্য।
 
Copyright © 2014. TrickLab-bd - All Rights Reserved
Template Created by microlabBD